নিয়োগ প্রক্রিয়া

জাপানে এআই ব্যবহারে পিছিয়ে বেশির ভাগ বড় কোম্পানি

জাপানের বড় কোম্পানিগুলোর অর্ধেকের বেশি নতুন স্নাতক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করছে না বলে কিওডো নিউজের এক জরিপে উঠে এসেছে।

জাপানের বড় কোম্পানিগুলোর অর্ধেকের বেশি নতুন স্নাতক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করছে না বলে কিওডো নিউজের এক জরিপে উঠে এসেছে। সেখানে বলা হয়, এর থেকে সহজেই অনুমান করা যায় যে কর্মক্ষেত্রে এআইয়ের ব্যবহার বাড়লেও নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে জাপানি কোম্পানিগুলো এখনো মানবসিদ্ধান্তকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। খবর জাপান টুডে।

মার্চের মাঝামাঝি থেকে এপ্রিলের শুরু পর্যন্ত সময়ে জরিপটি পরিচালিত হয়। এতে ১১৭টি কোম্পানি অংশ নেয়। এর মধ্যে ৬৪টি কোম্পানি জানায়, তারা নিয়োগে কোনোভাবে এআই ব্যবহার করে না। অন্যদিকে ৩৬টি কোম্পানি জানিয়েছে, তারা কোনো না কোনোভাবে এআই ব্যবহার করছে। বাকি ১৭টি কোম্পানি এআই ব্যবহারের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেনি।

জরিপে অংশ নেয়া শীর্ষ কোম্পানির অন্যতম মিৎসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ ও নিপ্পন টেলিগ্রাফ অ্যান্ড টেলিফোন করপোরেশন।

এআই ব্যবহারকারী কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৯টি বলেছে, তারা আবেদনপত্র বিশ্লেষণে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে। সাতটি কোম্পানি অনলাইন সাক্ষাৎকার বিশ্লেষণের কাজেও এআই ব্যবহার করে। কেউ কেউ আবার সাক্ষাৎকারের শ্রুতলিখনের (ট্রান্সক্রিপশন) কাজ বা চাকরিপ্রার্থীদের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্যও প্রযুক্তি ব্যবহার করে। তবে কোনো কোম্পানি সরাসরি সাক্ষাৎকার বিশ্লেষণে এখনো এআই ব্যবহার করছে না।

অনেক কোম্পানি বলেছে, এআইয়ের মাধ্যমে বিশ্লেষণে পক্ষপাত থাকতে পারে। এ বিষয়ে তারা শঙ্কা প্রকাশ করেছে।

কোনো কোনো কোম্পানি মনে করে, শুধু নিজেদের পুরনো নিয়োগ তথ্য ব্যবহার করে এআই প্রশিক্ষণ দিলে বৈচিত্র্য কমে যেতে পারে।

আবার অনেক কোম্পানি মনে করে, সরাসরি সাক্ষাৎকার ও মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তবে যারা এআই ব্যবহার করছে, তারা বলেছে যে এতে বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়ায় ও ব্যক্তিগত মতামতের ওপর নির্ভরতা কমায়।

এপ্রিলে চাকরি নিয়োগসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এআই ব্যবহারে সতর্ক থাকতে জাপান সরকার নির্দেশনা দিয়েছে। এআই ব্যবহারকারী ৩৬টি কোম্পানির মধ্যে ৩২টি বলেছে, তারা সরকারি এসব নির্দেশনা অনুসরণ করে সাবধানে এআই ব্যবহার করছে।

আরও